Archives

Uncategorizedফিচার

শিশুদের খেজুর খাওয়ার উপকারিতা

রীরের প্রয়োজনীয় আয়রনের অনেকটাই খেজুর থেকে আসে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস থাকলে প্রচলিত খেজুরের বদলে শুকনো খেজুরকে ডায়েটে রাখতে বলেন বিশেষজ্ঞরা। পুষ্টিগুণে ভরপুর খেজুরে রয়েছে ভিটামিন, আঁশ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও জিঙ্ক। এ ধরনের গুণাগুণ কারণে শিশুদের বেড়ে ওঠার জন্য তাদের খেজুর খেতে দিতে পারেন।

নিউজ ডেস্ক: শরীরের প্রয়োজনীয় আয়রনের অনেকটাই খেজুর থেকে আসে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস থাকলে প্রচলিত খেজুরের বদলে শুকনো খেজুরকে ডায়েটে রাখতে বলেন বিশেষজ্ঞরা। পুষ্টিগুণে ভরপুর খেজুরে রয়েছে ভিটামিন, আঁশ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও জিঙ্ক। এ ধরনের গুণাগুণ কারণে শিশুদের বেড়ে ওঠার জন্য তাদের খেজুর খেতে দিতে পারেন।

শিশুদের খেজুর খাওয়ার উপকারিতা:

১/ কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে রেহাই: খেজুরে থাকা ফাইবারেই নিয়মিত পটি হবে বাচ্চার। শরীর আর্দ্র থাকবে, কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রকোপ কমবে।

২/ আমাশয়ের ঘরোয়া প্রতিকার: শিশুদের বৃহদন্ত্রে ব্যাকটেরিয়ার উৎপাতে আমাশয়ের মতো রোগ মতো রোগের প্রতিকারও করতে পারে খেজুর।

৩/ রক্তে বাড়বে হিমোগ্লোবিন: খেজুরে অনেক আয়রন থাকায় বাচ্চার রক্তে হিমোগ্লোবিনের সংখ্যা বাড়বে। চুল থাকবে চকচকে আর তকতকে থাকবে ত্বক।

৪/ শক্তপোক্ত দাঁত: শিশুদের দ্রুত দাঁত গজানোয় অনেকটা সাহায্য করে খেজুর। তাই দাঁত ওটার সময় পাকা খেজুর দিন। খেজুরই মাড়ি করবে সবল, দাঁত করবে শক্তপোক্ত।

৫/ মস্তিষ্কের বিকাশ: খেজুরই বাচ্চার মস্তিষ্ক ও জ্ঞানীয় বিকাশ নিশ্চিত করবে। কারণ মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে পটাশিয়াম, আর এই পটাশিয়ামেরই অনেকটা মিলতে পারে খেজুর থেকে।

৬/ সারবে জ্বর-কমবে পক্স: খেজুরে নানা পুষ্টি উপাদানের গুণ থাকায় জ্বর বা পক্সের মতো রোগ হলে দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করবে খেজুর। দুধের সাথে খেজুর মিলিয়ে বাচ্চাকে খাওয়ান, উপকার পাবেন।

এসএসআর/জামালপুর লাইভ

বার্তা সম্পাদক
%d bloggers like this: