Archives

জাতীয়

বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর পাইলিং মার্চে

বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর পাইলিং মার্চে

ডেস্ক নিউজ: যমুনা নদীর ৩০০ ফিট উজানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে প্রকল্পের মূল সেতুর ফাউন্ডেশনের পাইলিং কাজের জন্য স্টিল পাইপ শিল পাইল (এসপিএসপি) এর আমদানি শুরু হয়েছে। আগামী মার্চ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে সেতুর পাইলিং কাজ শুরু হবে।

মঙ্গলবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু নির্মাণ প্রকল্পের হালনাগাদ অবস্থার নথি থেকে বিষয়টি জানা যায়।

বর্তমানে প্রকল্পের অগ্রগতির বিষয়ে জান যায়, মাঠ পর্যায়ে ঠিকাদার কর্তৃক কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড, প্রকল্পের কর্মচারী ও প্রকৌশলীদের ফ্যাসিলিটি ডেভেলপমেন্ট এর কাজ করা হচ্ছে। একইসাথে ঠিকাদারদের ফেসিলিটি ডেভেলপমেন্ট সহ ইত্যাদির কাজ করা হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মালিকানাধীন ৪৩১.০৯০৬ ভূমি বাংলাদেশ রেলওয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তাছাড়া, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ইকুইপমেন্ট আমদানি শুরু হয়েছে ও চলমান আছে বলে জানা যায়।

এদিকে, যমুনা নদীর ৩০০ ফিট উজানে এই রেলসেতু নির্মাণ কাজের জন্য গত বছরের ২৯ নভেম্বর গণভবনে থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

সেতুর নির্মাণকাজ ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের মধ্যে সমাপ্ত হবে এবং নতুন সেতুর ওপর ট্রেন চলাচল শুরু হবে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কাজ করছে জাপানি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি টাকায় প্রকল্পটির বাস্তবায়ন ব্যয় ধরা হয়েছে। যার মধ্যে জিওবি ৪ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা এবং জাইকা প্রকল্পের সাহায্য করবে ১২.১৪৯ কোটি টাকা।

প্রকল্পের আওতায় থাকছে, উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রেল যোগাযোগ উন্নত করতে যমুনা নদীর ওপরে নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশেই নির্মিত হচ্ছে ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ বঙ্গবন্ধু ডুয়েলগেজ রেলসেতু নির্মাণ এবং উভয় প্রান্তে ০.০৫ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট, প্রায় ৭.৬৭৭ কিলোমিটার রেলওয়ে এপ্রোস এমব্যাংমেন্ট এবং লুপ ও সাইডিংসহ মোট প্রায় ৩০ কিলোমিটার রেললাইন নির্মাণ হবে। বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব এবং পশ্চিম এর নতুন স্টেশন ভবন ইয়ার্ড রিমডেলিং। রেলওয়ে ব্রিজ মিউজিয়াম নির্মাণ করা হবে এ প্রকল্পের আওতায়। নদী শাসন কাজের মেরামত।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন এই রেলসেতু নির্মাণ হলে, স্বল্প সময়ে অপেক্ষাকৃত অধিক সংখ্যক ট্রেন পরিচালনা করা যাবে। বর্তমানে ৩৮টি ট্রেনের স্থলে সেতুর নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হলে ৮৮টি ট্রেন চলাচল করতে পারবে।

সূত্র: বার্তা২৪.কম

এসএসআর /জামালপুর লাইভ

বার্তা সম্পাদক
%d bloggers like this: