Archives

জামালপুরজামালপুর সদর

জামালপুর সদর পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তাকে ফের রহস্যজনক বদলী

মেহেদী হাসান,নিজস্ব  প্রতিনিধি : ফের সক্রিয় হয়েছে পল্লী উন্নয়ন অফিসের দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট। প্রধান কার্যালয় থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায় পর্যন্ত সক্রিয় এই সিন্ডিকেট।

সিন্ডিকেট সদস্যরা সুবিধা করতে না পেরে জামালপুর সদর উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তাকে ফের বদলী করেছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় নারী এই কর্মকর্তাকে বদলীর নামে হয়রানী করার অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, জামালপুর সদর উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা শিরিন আক্তার জামালপুরে যোগদানের পর খেলাপী ঋণ আদায়ে চাপ সৃষ্টি করে। বিপুল পরিমান খেলাপী ঋণ আদায় করায় বিপাকে পরে দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট। ওই সিন্ডিকেট সদস্যরা নানাভাবে তদবির করে অন্ত:সত্ত্বা নারী এই কর্মকর্তাকে বদলী করে ২০১৮ সালের মাঝামাঝি। ৯ মাসের অন্ত:সত্ত্বা নারী এই কর্মকর্তা প্রধান কার্যালয়ে উপস্থিত হলে কর্তৃপক্ষ তার বদলীর আদেশ স্থগিত করে। এর পর সদর উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা শিরিন আক্তার ৬ মাসের মাতৃত্বকালীন এবং ৩ মাসের অর্জিত ছুটি ভোগ করেন। ছুটি শেষে জামালপুর পল্লী উন্নয়ন কার্যালয়ে যোগদেন।

৯ মাসের ছুটিকালীন বকেয়া কাজ গুছিয়ে পল্লী উন্নয়নের ১০৩টি খেলাপী ঋণ আদায়ের অফিসিয়ালি কর্ম পরিকল্পনা নির্ধারন শুরু করেন। খেলাপী ঋণ আদায়ের কর্মপরিকল্পনা শুরু করায় ফের গা ঝাড়া দিয়ে উঠে দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট।

অভিযোগ উঠেছে, জামালপুর ও প্রধান কার্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্যরা পল্লী উন্নয়নের একজন পরিচালক দিয়ে সদর উপজেলা পল্লী উন্নয়নের নারী এই বর্মকর্তাকে নেত্রকোনার বারহাট্রা উপজেলা এবং নেত্রকোনার বারহাট্রা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ সিফাত আজাদকে জামালপুর সদরে বদলী করা হয়েছে। বদলীর আদেশ অফিসের ওয়েবসাইটে দেওয়ার নিয়ম থাকলেও এই বদলীর আদেশ দেয়া হয়নি। যে দুই অফিসের কর্মকর্তাকে বদলী করা হয়েছে সেই দুই অফিসেই বদলী হবার মত কোন ঘটনা ঘটেনি।

পল্লী উন্নয়নের এই দুই কর্মকর্তার বদলীর সময়ও হয়নি। দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেটের তদবিরে রহস্যজনক এই বদলীর ঘটনায় জনমনে নানা কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের প্রশ্ন কেন এই বদলী ?

অবিলম্বে জামালপুর সদর উপজেলা ও নেত্রকোনার বারহাট্রা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার বদলীর আদেশ প্রত্যাহারের দাবি পল্লী উন্নয়ন অফিসের দেশপ্রেমিক কর্মকর্তাদের।

বার্তা সম্পাদক
%d bloggers like this: