Archives

জামালপুরজামালপুর সদর

জামালপুর পাসপোর্ট অফিসের ই-পাসপোর্ট সেবা অব্যাহত

জামালপুর পাসপোর্ট অফিসের ই-পাসপোর্ট সেবা অব্যাহত

নিজস্ব প্রতিনিধি : জামালপুর পৌর শহরের শেখের ভিটায় দৃষ্টিনন্দন মির্জা আজম চত্বর সংলগ্ন ৪ তলা বিশিষ্ট নতুন পাসপোর্ট অফিসে ই-পাসপোর্ট সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ৫ জানুয়ারি মঙ্গলবার জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট কার্যালয়ে ই-পাসপোর্ট সেবা কার্যক্রমের বিষয়ে জানতে গেলে পাসপোর্টা কার্যালয়ের প্রবেশ পথে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সেবা গ্রহিতাদের সুবিদার্থে আলদা আলাদা কাউন্টার, সেবা প্রত্যাশিদের বসার ব্যবস্থাসহ নানা সুযোগ সুবিদা দেখতে পাওয়া যায়।

জামালপুর পাসর্পোট অফিসের উপ-সহকারী পরচিালক মো. নাজমুল আহসান হাবীব বলেন, দণি এশিয়ায় প্রথম এবং বিশ্বে ১১৯তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৪ অক্টোবর ২০২০ইং তারিখ থেকে জামালপুরে বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনার ভার্চুয়াল কার্যক্রমের উদ্বোধন হওয়ার পর থেকে অদ্যাবধি ৯’শ টি ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন গৃহীত হয়েছে। এর মধ্যে ৬’শতের অধিক পাসপোর্ট বিতরণ করা হয়েছে। এতে জেলাবাসি সতস্ফুর্ত ভাবে অনলাইনের মাধ্যমে ই-পাসপোর্ট সেবা গ্রহণ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে জামালপুর জেলা পাসপোর্ট অফিসে হজ্ব, ওমরা যাত্রী, বৃদ্ধা, মহিলা, শিশু, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আলাদা বিশেষ সেবা কাউন্টার খোলা হয়েছে। পাশাপশি যাদের পূর্বের মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট বা এমআরপি পাসপোর্টের জন্য আবেদন করে ছিলেন তাদের পাসপোর্ট গ্রহণের জন্য জেলা পাসপোর্ট অফিস থেকে মোবাইল ফোনের এসএমএস এর মাধ্যমে অবহিত করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত ১ হাজার এম.আর.পি পাসপোর্ট অফিসে জমা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পাসপোর্ট করতে আসা কোনও ব্যক্তি যেন ভোগান্তির শিকার না হন সে দিক বিবেচনা করে অফিসের প্রবেশ পথে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। যাতে করে সেবা গ্রহিতা ছাড়া অবাঞ্চিত কেউ ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে এবং সেবা গ্রহিতাদের বিভ্রান্ত করতে না পারে।

তিনি বলেন, দেশে করোনা সংক্রমণ শুরুর পর গত ২৩ মার্চ থেকে নতুন পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ ও বিতরণের সব ধরনের কাজ বন্ধ করে দিয়ে ছিলেন কর্তৃপ। পরে ৩১ মে থেকে করোনার ভাইরাসের বিষয়টিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার ঠিক রেখে সরকারের সকল বিধি নিষেধ মেনে অফিস কার্যক্রম চালু রয়েছে। তিনি ২০২১ সালের ইংরেজি নববর্ষে জেলাবাসিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সকল সেবা প্রত্যাশিদের পাসপোর্ট সেবা গ্রহণের জন্য সরাসরি অফিস কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার আহবান জানান।

উল্লেখ্য ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা জন্মনিবন্ধন সনদ (বিআরসি) অনুযায়ী পূরণ করতে হয়। অপ্রাপ্ত বয়স্ক (১৮ বছরের কম) আবেদনকারী, যার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেই, তার পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর অবশ্যই সংশ্লিষ্ট তথ্য হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

ই-পাসপোর্টে এমবেডেড ইলেকট্রনিক মাইক্রোপ্রসেসর চিপ রয়েছে, যেখানে পাসপোর্ট গ্রহীতার সকল তথ্য, স্বার, ছবি, চোখের কর্নিয়া এবং ফিঙ্গার প্রিন্ট সুরতি থাকে। এর মাধ্যমে যে কোন দেশে প্রবেশ এবং বহির্গমনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশী নাগরিকের ঝামেলামুক্ত চলাচল নিশ্চিত হবে। পাসপোর্টের মেয়াদ হবে ৫ থেকে ১০ বছর।

বার্তা সম্পাদক
%d bloggers like this: